Market Status: Closed
  Sunday, 18 Oct '26
   07:07:35 (BST)

০৮ অক্টোবর, ২০২৬, চট্টগ্রাম:

প্রতি বছরের মতো এবারও দেশে ০৪ থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ । এবার সপ্তাহটির প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘বিনিয়োগকারীর স্থিতিস্থাপকতা, ডিজিটাল প্রতারণা ও প্রতারণা সতর্কতা’’ / “ইনভেস্টর রেজিলিয়েন্স, ডিজিটাল ডিসিপশন, স্ক্যাম এলার্ট  (“Investor Resilience, Digital Deception and Scam Alert”) আর বৈশ্বিক প্রচারণার মূল স্লোগান—‘আপনার ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করুন, আজই এটিকে সুরক্ষিত করুন।’

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব সিকিউরিটিজ কমিশনের (আইওএসকো) সঙ্গে যৌথভাবে দিবসটি উদযাপন করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) । বিনিয়োগকারীদের শিক্ষার উন্নতি ও উন্নয়নের জন্য  আইওএসকো এর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি রয়েছে-এটি একটি বিশ্বব্যাপী প্রচার, যার লক্ষ্য বিনিয়োগকারীদের শিক্ষা এবং বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা প্রচার করা। আর সেই ধারবাহিকতায় চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) ০৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রামস্থ প্রধান কার্যালয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে । সেমিনারের শিরোনাম ছিল “ডাইভারসিফিকেশন ফর রেজিলিয়েন্সঃ দি রোল অফ কমোডিটি ডেরিভেটিভস ইন এ মডার্ন পোর্টফলিও (“Diversification for Resilience: The Role of Commodity Derivatives in a Modern Investment Portfolio”)।

 

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান,এফসিএ, এফসিএমএ । সিএসইর চেয়ারম্যান, জনাব একেএম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্তে সিএসইর পরিচালক জনাব  প্রফেসর ড মোঃ সাইফুল ইসলাম, জনাব ড মাহমুদ হাসান, জনাব এম জুলফিকার হোসেইন, মিস নাজনিন সুলতানা, এফসিএ, মিস ফরিদা ইয়াসমিন, মেজর (অব) এমদাদুল ইসলাম, জনাব মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সিএসইর ট্রেকের সম্মানিত প্রতিনিধিগন এবং বিনিয়োগকারীগণ  সে সময় উপস্থিত ছিলেন । এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনাব এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ।  

স্বাগত বক্তব্যে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনাব এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ, বলেন, ২০১৭ সাল থেকে বিএসইসির উদ্যোগে এই বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ গুরুত্ব সহকারে পালিত হচ্ছে। এর সাথে একাত্ম হয়ে সিএসইও প্রতি বারের মতো এবারও এ সেমিনার আয়োজন করছে এবং বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের অন্যান্য অনুষ্ঠানগুোতেও অংশগ্রহণ করেছে।  সম্প্রতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিভিন্ন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে । বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য হলো  গভরনেন্স এবং সিস্টেম জনিত সমস্যা । এর ফলাফল হলো সক্রিয় বিও সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে । প্রতিবেশী দেশসহ সারা বিশ্বে যেখানে প্রতিনিয়ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে সেখানে আমাদের মার্কেটে উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে বা ডিগ্রোথ হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে নতুন কমিশন গঠিত হওয়ার পর বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনের  এবং সিস্টেমেটিক সংকট উত্তরণের জন্য যে ব্যাপক কর্মসূচী হাতে নিয়েছেন তাতে আশা করি বিনিয়োগকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।  এই সিস্টেমেটিক সংকটের সাথে লিস্টেড কোম্পানি, প্রোডাক্ট ফিচারস, বিনিয়োগকারী সবাই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে কারণে এই ব্যাপক কর্মযজ্ঞে সংশ্লিষ্ট সকলের সক্রিয় ভুমিকা পালনের উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। সিএসই থেকে এই সংকট উত্তরণের জন্য পূর্বের মতই বিভিন্ন নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহন এবং  সেই সংক্রান্ত বিভিন্ন  কাজ নিয়মিত করা হচ্ছে। সিএসই চেয়ারম্যান এবং বোর্ড  সদস্যদের তত্ত্বাবধানে ক্যাপিটাল মার্কেটের উন্নয়নে বিভিন্ন কৌশল এবং দিক নির্দেশনার মাধ্যমে সিএসই তার সীমিত রিসোর্সের মাক্সিমাম ব্যবহারের মাধ্যমে এই সংকট উত্তরণে  জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইনভেস্টরদেরকে আরও সচেতন ও দক্ষ করার লক্ষ্যে সারাবছর ব্যাপী বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামের আয়োজন করা হচ্ছে । বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিশেষ করে তরুণ বিনিয়োগকারী তৈরির জন্য  চট্টগ্রামস্থ বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে নিয়মিত প্রোগ্রাম আয়োজন করা হচ্ছে। ডিগ্রোথকে গ্রোথ এর দিকে নিতে হলে সিস্টেমেটিক রিস্ককে এলিমিনেট করে প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করতে হবে। আমাদের ইকুইটি মার্কেটে বন্ড, টি -বিল, মিউচুয়াল ফান্ড আছে কিন্তু এই প্রোডাক্টগুলো বিভিন্ন কারনে যথেষ্ট ট্রেডেবল হয় নি। অথচ প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন নিশ্চিত করা না গেলে দেশি , বিদেশি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যাবে না। তাই এই বিষয়েও কাজের সীমা বাড়াতে হবে। ইটিএফ বা মিউচুয়াল ফান্ড এর আইনি কাঠামো নিয়ে কাজ করতে হবে যেগুলো  মার্কেটকে বৈচিত্র্যময় করবে । এক্ষেত্রে সিএসই বরাবরের মতই নতুন উদ্যোগ গ্রহনের কাজ করছে যেমন ডেরিভেটিভস মার্কেট ডেভেলপমেন্ট । ডেরিভেটিভস মার্কেট চালুর জন্য আইনি এবং টেকনিক্যাল কাঠামো তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শেষ, এখন চলছে মার্কেটের ইকসিস্টেম তৈরির কাজ। এছাড়াও ব্রোকারদের জন্য মক ট্রেডিং করার ব্যবস্থাও গ্রহন করা হয়েছে।  এই কাঠামো তৈরির সময় আমরা দেখেছি সারা বিশ্বে সব মার্কেটের  উল্লেখযোগ্য অংশ ট্রেড হয় কমোডিটি মার্কেটের মাধ্যমে।  সেই বিবেচনায় আমাদের অর্থনীতিতে এই মার্কেটের চালু করার সময় এখনই। সিএসই  ইতিমধ্যে প্রস্তুত এবং আজকের কমিশন মহোদয়ের কাছে বিনীত আবেদন তিনি এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের নতুন মাত্রা প্রদানে সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবেন।  

           

সেমিনারে মূল নিবন্ধ উপস্থাপনা করেন, জনাব মোঃ মর্তুজা  আলম, জেনারেল ম্যানেজার, হেড অফ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন এবং আলোচনা সেশন পরিচালনা করেন সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম সাইফুর রহমান মজুমদার, এফসিএ, এফসিএমএ এবং এতে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ শামসুল ইসলাম, এফসিএ, চেয়ারম্যান, বি রিচ লিমিটেড , জনাব খন্দকার সাফফাত রেজা, সিইও এন্ড ডিরেক্টর, লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসি এবং জনাব মোহাম্মাদ মেহেদি হাসান, সিএফএ, চিফ রেগুলেটরি অফিসার ,সিএসই ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমিশনের চেয়ারম্যান জনাব মাসুদ খান, এফসিএ, এফসিএমএ, বলেন, সিএসই বেশ অরগানাইজড উপায়ে কাজ করে ।  নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিএসইসির প্রধান কাজ হচ্ছে ফেয়ারলি লেনদেন নিশ্চিত করা, মেনিপুলেশন হতে না দেয়া এবং ইনভেস্টরদের সুরক্ষা প্রদান করা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইনভেস্টরদের সুরক্ষা করাটা খুব জরুরী কারণ এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ ভাগ বিনিয়োগকারী হচ্ছেন রিটেইল/ইন্ডিভিজুয়াল ইনভেস্টর, যেখানে পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতে সেটা হচ্ছে ৩৩ ভাগ , মালয়েশিয়াতে ১৭ ভাগ। শেয়ারের যথাযথ মূল্যায়ন নিরুপন করে শেয়ার মেনেজ করার পদ্ধতি যে একটি বিজ্ঞান, সেটা বিনিয়োগকারীদের খুব কম অংশই জানেন । এই কমিশন দায়িত্ব নেয়ার পরে বিনিয়িগকারীদের সুরক্ষার স্বার্থে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহন করেছে । যেহেতু আমাদের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কাজ ছিল ইনভেস্টরদের  সুরক্ষা নিশ্চিত করা, সেজন্য সারভিলিয়েন্স সিস্টেমের উন্নয়ন, ডি রেগুলেশন, সেলফ রেগুলেশন করা প্রয়োজন ছিল। সে লক্ষ্যে আমরা  পুঁজিবাজার ও  বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব ধরনেরে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম  দ্রুততার সাথে নিশ্চিত করছি এবং দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে তাদের এখতিয়ারভুক্ত সব কিছু  স্বাধীনভাবে করার নির্দেশনা দিয়েছি । আমরা একই সাথে রেগুলেটর ও ফেসিলেটর হিসেবে পুঁজিবাজারের সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে  আলোচনার দ্বার উন্মোচন করেছি এবং আমাদের আলোচনা অব্যাহত রেখেছি । এছাড়া কমিশন মার্কেট ক্যপিটালাইজেশন বৃদ্ধির ব্যাপারে কাজ করছে, কারন  মার্কেট ক্যাপ  বাড়লে ট্রেডিং ভলিউম বাড়বে  । এরই ধারাবাহিকতায় আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং-এর মাধ্যমে দেশি, বহুজাতিক, বড় মূলধনি  এরকম কোম্পানিগুলোকে তালিকাভুক্তির জো্র প্রয়াস চালাচ্ছি। এছাড়া আগে ডাইরেক্ট লিস্টিং বন্ধ ছিল সেটা আমরা এখন ওপেন করে দিয়েছি । নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য আমরা আইপিও রুলস এর ব্যাপক পরিবর্তন আনছি সেজন্য আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিং ছাড়াও আমরা হাইব্রিড পদ্ধতিতে কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নিয়েছি।  এই পরিবর্তনের ফলে আমরা আশা করছি যথাযথ প্রাইস ডিসকভারি হবে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে এবং পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত নতুন কোম্পানিগুলোরও যথাযথ মূল্য নিরূপণ হবে।  এছাড়াও আমরা মার্কেট ডেপথ বাড়ানোর  জন্যে কর্পোরেট বন্ড লিস্টিংকেও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিচ্ছি  এবং মার্কেট ডাইভারসিফিকেশনের জন্য নতুন প্রোডাক্টসমূহ ( ইটিএফ-এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড , আরইআইটি- রিয়েল ষ্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাষ্ট) আনার কাজ খুব গুরুত্ব সহকারে এগিয়ে নিচ্ছি। পুঁজিবাজারের সাথে আমরা আমাদের অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান যেমন বিআইসিএম এর মাধ্যমে ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজরি কোর্স করার পরিকল্পনা করছি ।

পরিশেষে তিনি উপস্থিতিদের আশ্বস্ত করে বলেন, সিএসই পুঁজিবাজারের ডাইভারসিফিকেশনের জন্য কমোডিটি  ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ চালুর যে কাজ করছে তা দ্রুততম সময়ে শেষ করার জন্য যাবতীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে ।

সমাপনি বক্তব্যে সিএসইর চেয়ারম্যান জনাব একেএম হাবিবুর রহমান ,বিএসইসির চেয়ারম্যান এবং উপস্থিত সকল অংশগ্রহণকারী সবাইকে শত ব্যস্ততার মধ্যেও বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের এই বিশেষ আয়োজনে  উপস্থিতির জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরও বলেন, আজকের মূল বিষয়বস্তু ছিল ইনভেস্টর রেজিলিয়েন্স এবং এর জন্য যে সেক্টরগুলো  যথা ইকুইটি মার্কেট, ফিক্সড ইনকাম, কমোডিটি ডেরিভটিভস, কারেন্সি ইত্যাদি রয়েছে, বাংলাদেশ তার কোনটাতেই স্বয়ংসম্পূর্ণ না। আরও বলেন, কারেন্সি মার্কেটের সাথে লিগ্যাল বিষয় জড়িত, কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট নিয়ে আমরা কাজ করছি, ডেরিভেটিভস এর কিছু অংশ নিয়েও কাজ চলছে , ফিক্সড ইনকাম সেক্টরে কর্পোরেট বন্ড এর  বিশাল সম্ভাবনা আছে । তিনি উল্লেখ করেন, ইকুইটি মার্কেটও কিছুটা স্থবির ছিল, দীর্ঘদিন নতুন আইপিও আসে নি, তবে নতুন কমিশন এক্সপ্রেস পদ্ধতিতে যেসব কর্মসূচি গ্রহন করছেন তার ফলশ্রুতিতে আশা করছি , পুঁজিবাজারের মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন খুব দ্রুতই বাড়তে থাকবে এবং তা জিডপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে ।  একই সাথে রেজিলিয়েন্সের জন্য ইনভেস্টরদের সুযোগও বাড়বে। আবার রিয়েল ষ্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাষ্ট কাজ শুরু করলে নতুন ফান্ড আসবে । আমাদের মার্কেটে ইন্সটিটিউশনাল ইনভেস্টর কম এবং তাঁদেরকে আনতে হলে কমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয় যেমনটি উল্লেখ করেছেন তেমনিভাবে বিভিন্ন ধরনের ফান্ড অর্থাৎ  পেনশন ফান্ড, ইন্সুরেন্স ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ডগুলো কার্যকর হলে মার্কেটের গভীরতা বাড়বে এবং মার্কেট রিজিলিয়েন্ট হবে।


 
সেমিনার শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয় এক পৃথক বৈঠকে সিএসই পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি সিএসইর বর্তমান কার্যক্রম, কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ চালু করণের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দ্রুত সময়ে বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর সুদূর প্রসারি প্রভাব সম্পর্কে অবহিত হন এবং যাবতীয় আশ্বাস প্রদান করেন । 

 

অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তারা বিভিন্ন জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে সেগুলির সংশ্লিষ্ট উত্তর প্রদান করেন । সবশেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রোগাম শেষ হয় ।

 


 

 

 

বিস্তারিত জানতে,

তানিয়া বেগম

এএম -পিআরডি, সিএসই

ফোন: ০১৭৬০৭৪৫৭৩৬

 

| October 08, 2026 |